bd-ads.com-0b8e97a17fb17059953c294ef7bf5b04.htm Modern Technology: February 2018

Ad

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

28/02/2018

শাওমির নতুন স্মার্টফোন

শাওমির নতুন স্মার্টফোন

অনলাইন ডেস্ক
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৩:২৯
শাওমি এমআই ৭চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা শাওমি পরবর্তী প্রজন্মের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন এমআই ৭ তৈরিতে কাজ করছে। এ বছরের জুন নাগাদ নতুন ওই ফোনের ঘোষণা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন ওই ফোন ঘিরে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটগুলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। গুঞ্জন রয়েছে, এমআই ৭ স্মার্টফোনটির ডিসপ্লের মধ্যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর থাকবে।
সম্প্রতি চীনের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ওয়েবুর এক পোস্টে এমআই ৭ সম্পর্কে তথ্য প্রকাশিত হয়। তাতে বলা হয়, নতুন ফোনটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত উন্নত ক্যামেরা থাকবে। এর ক্যামেরা রেডমি নোট ৫ প্রোর মতো হতে পারে। ফোনটির পেছনে আইফোন টেনের মতো গ্লাস ব্যাক প্যানেল থাকতে পারে। প্রায় বেজেলহীন স্মার্টফোনটির পেছনে এলইডি ফ্ল্যাশের ১৬ মেগাপিক্সেলের দুটি ক্যামেরা, ইউএসবি টাইপ সি, ৩ হাজার ১৭০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি থাকবে।
অ্যান্ড্রয়েড ওরিও অপারেটিং সিস্টেমের ফোনটির ওপরে এমআইইউআই ৯ ইন্টারফেস থাকবে। ৬ জিবি র‍্যামের ফোনটিতে ব্যবহৃত হবে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর। নতুন স্মার্টফোনটির দাম সম্পর্কে বা অন্য দেশে কবে নাগাদ আসতে পারে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি শাওমি কর্তৃপক্ষ। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

কলা ফোন’ আনলো নোকিয়া!

কলা ফোন’ আনলো নোকিয়া!

  • প্রযুক্তি ডেস্ক, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম 

    Published: 2018-02-27 23:39:03 BdST
bdnews24
ছবি- নোকিয়া

নোকিয়া’র আরেকটি ফিচার ফোন উন্মোচন করেছে এইচএমডি গ্লোবাল। রেট্রো ক্লাসিক রূপে ফিরিয়ে আনা হয়েছে নোকিয়া ৮১১০। ১৯৯৯ সালে আলোড়ন তোলা সিনেমা মেট্রিক্স-এ কিয়ানু রিভসের হাতে দেখানো ফোনের অবিকল এই ফোন।

স্পেনের বার্সেলোনায় চলতি মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস-এ ডিভাইসটি উন্মোচন করেছে ফিনিশ প্রতিষ্ঠান এইচএমডি। আগের বছরের নোকিয়া ৩৩১০-এর মতোই এ বছরও ডিভাইসটি দিয়ে চমক দেখিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
কিছুটা বাঁকা করে তৈরি করা হয়েছে নতুন এই ডিভাইসটি। আর পর্দার নীচে বাটনের ওপরে রাখা হয়েছে স্লাইডার। এর মাধ্যমে কল ধরতে ও কাটতে পারবেন গ্রাহক, বলা হয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ভার্জ-এর প্রতিবেদনে।
কালো এবং হলুদ রঙে পাওয়া যাবে নোকিয়া ৮১১০। কলার মতো বাঁকানো নকশা আর হলুদ রঙের কারণে ডিভাইসটিকে বলা হচ্ছে ‘ব্যানানা ফোন’।
স্মার্ট ফিচার ওএস-এ চলবে নোকিয়া’র এই ব্যানানা ফোন। এতে কোনো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ না চললেও ডিভাইসটির জন্য আলাদা অ্যাপ স্টোর বানাচ্ছে এইচএমডি।
এলটিই সমর্থনের পাশাপাশি কোয়ালকম ২০৫ মোবাইল প্লাটফর্ম প্রসেসর, ৫১২এমবি র‍্যাম এবং চার জিবি স্টোরেজ থাকছে ডিভাইসটিতে। আর ২.৪ ইঞ্চি কিউভিজিএ পর্দার সঙ্গে দুই মেগাপিক্সেল ক্যামেরা রয়েছে এতে। একবার পূর্ণ চার্জে ২৫ দিন সচল থাকবে ডিভাইসটি।
চলতি বছরের মে মাসে বাজারে আসবে নোকিয়া ৮১১০। ডিভাইসটির মূল্য বলা হয়েছে ৯৭ মার্কিন ডলার।

26/02/2018

সাত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি

সাত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা

  • সংসদ প্রতিবেদক,

    Published: 2018-02-26 19:28:29 BdST
bdnews24

দেশের সাতটি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে; গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এর পরিমাণ দাঁড়িয়েছে নয় হাজার ৪১৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।

এর মধ্যে চার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সোনালী, রূপালী, জনতা ও বেসিকের ঘাটতির পরিমাণ সাত হাজার ৬২৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
আর তিন বেসরকারি ব্যাংক কমার্স, ফারমার্স ও আইসিবি ইসলামি ব্যাংকের মোট মূলধন ঘাটতি এক হাজার ৭৯১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবদুল মতিনের এক প্রশ্নের উত্তরে সোমবার সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠক শুরুর পর প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
ব্যাংক
৩০ সেপ্টেম্বর২০১৭ পর্যন্তঘাটতি
সোনালী ব্যাংক
৩১৪০ কোটি ৪১ লাখ টাকা
রূপালী ব্যাংক
৬৮৯ কোটি ৯০ লাখ টাকা
জনতা ব্যাংক
১২৭২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা
বেসিক ব্যাংক
২৫২২ কোটি ৯৯ লাখ টাকা
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক
২৩১ কোটি ৩১ লাখ টাকা
ফারমার্স ব্যাংক
৭৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা
আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক
১৪৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা
অর্থমন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে ২০০৫–২০০৬ অর্থবছর থেকে ২০১৬–২০১৭ অর্থবছর পর্যন্ত সরকার ১০ হাজার ২৭২ কোটি টাকার পুনঃমূলধনীকরণ সুবিধা দিয়েছে, যা ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলোতে মূলধন হিসাবায়নে যুক্ত হয়েছে।”
তিনি জানান, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে সরকারি ব্যাংকে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন ঘাটতি ছিল সাত হাজার ৫৬৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। আর বেসরকারি ব্যাংকে উদ্বৃত্ত প্রভিশন রয়েছে এক হাজার ৭৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সামগ্রিকভাবে মোট ঘাটতি প্রভিশনের পরিমাণ ছয় হাজার ৩৪৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সোনালী ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি দুই হাজার ৯০০ কোটি ৯১ লাখ টাকা, রূপালী ব্যাংকের এক হাজার ২৪৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, বেসিক ব্যাংকের তিন হাজার ৪২১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ১৯৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা, ন্যাশনাল ব্যাংকের ঘাটতি ৮৬১ কোটি ৬১ লাখ টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ১৫৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ৮৯ কোটি ৯ লাখ টাকা প্রভিশন ঘাটতি রয়েছে।
ঋণের শ্রেণিমান অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাংককে নির্ধারিত হারে প্রভিশন বা নিরাপত্তাসূচক অর্থ সংরক্ষণ করতে হয়। সাধারণ ঋণের বিপরীতে দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে শুরু করে ৫ শতাংশ প্রভিশন রাখার নিয়ম। আর নিম্নমান, সন্দেহজনক এবং মন্দ ঋণে যথাক্রমে ২০, ৫০ ও ১০০ শতাংশ প্রভিশন রাখতে হয়। প্রভিশন ঘাটতি থাকলে কোনো ব্যাংক লভ্যাংশ দিতে পারে না। 
এর আগে গত জানুয়ারিতে অর্থমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছিলেন, গত ১০ বছরে ১০ কোটি টাকার বেশি ঋণ দেওয়া হয়েছে যাদের, তাদের কাছ থেকে ৬৫ হাজার ৬০২ কোটি টাকা আদায় করা সম্ভব হয়নি। শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৫০ কোটি টাকা।
যে ১০ বছরের খেলাপি ঋণের হিসাব অর্থমন্ত্রী দিয়েছেন, তার নয় বছরই ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। আর খেলাপি ঋণের ওই অর্থ দিয়ে দুটি পদ্মা সেতুর ব্যয় মেটানো সম্ভব।
গত বছরের শেষ দিকে ফারমার্স ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়ার পর অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠান বেসরকারি ব্যাংক থেকে অর্থ তুলে নিতে শুরু করলে আতঙ্ক তৈরি হয়।
সে প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, দেশে ব্যাংক খাতে কোনো তারল্য সংকট নেই। একটি বেসরকারি ব্যাংকে তারল্য সংকটের কারণে পুরো ব্যাংকিং খাতে কিছু মানুষ ‘অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ খুঁজছে’।

বলুন তো পূর্ণ বর্গ সংখ্যা দুটি কত?

বলুন তো পূর্ণ বর্গ সংখ্যা দুটি কত?

আব্দুল কাইয়ুম
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১০:০৮
আমাদের আজকের মূল সমস্যা পূর্ণ বর্গ সংখ্যা নিয়ে। তবে তার আগে আসুন গণিতের দুটি মজার প্রশ্ন সমাধানের কৌশল জেনে নিই। এটা অনেকটা যুক্তির ভিত্তিতে গণিতের হিসাব কাজে লাগানোর বিষয়। যদি আমরা বলি (৫৫ × ৫৫) = ১০০, (৬৬ × ৬৬) = ১৪৪, (৭৭ × ৭৭) = ১৯৬, (৮৮ × ৮৮) = ২৫৬ হয়, তাহলে (৯৯ × ৯৯) = ? 



প্রথমেই বলে রাখি, এটা একটি কল্পিত সমস্যা। আসলে (৫৫ × ৫৫) = ৩০২৫, ১০০ তো কখনো হতে পারে না। কিন্তু একটি ছন্দের আকারে সাজানোর জন্য এভাবে লেখা হয়েছে। সে জন্যই প্রথমে বলে নিয়েছি, ‘যদি...হয়’।



এখন বলতে হবে, যদি প্রথম সমীকরণগুলো শুদ্ধ বলে ধরে নেওয়া হয়, তাহলে শেষ গুণফলটি কত হবে? এর উত্তরের জন্য আমরা প্রথমে প্রদত্ত সিরিজের কয়েকটি রাশি দেখে এর ভেতরের মিলগুলো বের করি। প্রতিটি রাশির মধ্যে একটি মিল রয়েছে। দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি রাশির প্রথম সংখ্যাগুলো দুই অঙ্কের এবং একই অঙ্ক দুবার করে লেখা। এই দুটি অঙ্কের যোগফলের বর্গ সংখ্যাটিকেই পুরো সংখ্যাটির বর্গফল হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেমন: (৫৫ × ৫৫) = (৫ + ৫) = (১০) = ১০০। এখন আমরা মূল সমস্যার উত্তর বের করতে পারি। (৯৯ × ৯৯) = (৯ + ৯) = (১৮)= ৩২৪।
আরেকটি মজার হিসাব দেখুন। (১১/৫) + (১২/৫) + (১৩/৫) + (১৪/৫) + (১৫/৫) =? এই ধারাটির যোগফল সহজে বের করার উপায় কী? এর উত্তরের জন্য আমরা প্রথমে দেখব, ১১ থেকে ১৫ পর্যন্ত ধারাবাহিক পাঁচটি সংখ্যার প্রতিটি ৫ দিয়ে ভাগ করে যোগ করা হয়েছে। সুতরাং এই সিরিজটিকে আমরা লিখতে পারি (১১ + ১২ + ১৩ + ১৪ + ১৫)/৫ = {(১১ +১৫) × ৫/২} / ৫ = {(২৬ × ৫) /২}/৫ = (১৩০/২)/৫ = (৬৫/৫) = ১৩।
এ সপ্তাহের ধাঁধা: একটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা থেকে ৪৫ বিয়োগ করলে বিয়োগফল আরেকটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা হয়। এখন বলুন তো পূর্ণ বর্গ সংখ্যা দুটি কত?



গত সপ্তাহের ধাঁধার উত্তর

ধাঁধাটি ছিল এ রকম: একটি টেবিলের চারপাশে চারজন করে বসতে পারেন। ৩০ জন বন্ধুর বসার জন্য একটি টেবিলের সঙ্গে আরেকটি টেবিল পরপর সাজিয়ে লম্বা একটি টেবিলে বসার আয়োজন করা হলো। এখন বলুন তো মোট কতটি টেবিল লাগবে?



উত্তর : ১৪টি টেবিল লাগবে। অবশ্য যদি আপনি নিজেকে ৩০ জন বন্ধুর বাইরে আরও একজন হিসাবে বিবেচনা করেন, তাহলে ১৫টি টেবিল লাগবে।



অনেক উত্সাহী পাঠক উত্তর দিয়েছেন। অনেক উত্তর এসেছে আমার ই-মেইল ঠিকানায়। তাঁদের প্রায় সবার উত্তরই সঠিক। সবাইকে ধন্যবাদ।



কীভাবে উত্তর বের করলাম

প্রথমে হিসাব করলাম, দুপাশের দুই কিনারের টেবিলে তিনজন করে মোট ছয়জন বসবে। বাকি থাকল (৩০ - ৬) = ২৪ জন। মাঝখানের টেবিলগুলোর প্রতিটির এপাশ-ওপাশে দুজন করে বসতে পারে। তাই বাকি ২৪ জনের জন্য দরকার ১২টি টেবিল। সুতরাং মোট টেবিলের সংখ্যা (২ + ১২) = ১৪। এই উত্তরটা বের করার জন্য আমরা একটি সূত্র ব্যবহার করে যেকোনোসংখ্যক বন্ধুর জন্য টেবিলের সংখ্যা বের করতে পারি। (মোট টেবিলের সংখ্যা - ২) = (বন্ধুর সংখ্যা - ৬) / ২। অথবা, (বন্ধুর সংখ্যা - ৬) / ২ হিসাব থেকে প্রাপ্ত সংখ্যার সঙ্গে ২ যোগ করলেই টেবিলের সংখ্যা পাওয়া যাবে। আমাদের সমস্যার ক্ষেত্রে, টেবিলের সংখ্যা = {(৩০ - ৬)/২} + ২ = (১২ + ২) = ১৪।

Jokes

Jokes

Unlimited Laugh

নববর্ষের রাতে মাতাল হয়ে বাড়ি ফিরেছে জ্যাক। বাড়ি ফিরেই বউয়ের ভয়ে একটা বই খুলে পড়তে শুরু করলো সে। খানিক বাদে তার স্ত্রী এল ঘরে। বলল, ''আবারও মাতাল হয়ে এসেছো, তাই না?''
জ্যাক: কই? না তো!
স্ত্রী: তাহলে আমার মেকাপ বক্স খুলে কী এত বকবক করছ?!

25/02/2018

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্য পাবে ফেসবুক?

হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্য পাবে ফেসবুক?

অনলাইন ডেস্ক
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২২:০৩
সেবা পাওয়ার শর্তাবলি বা টার্মস অব সার্ভিস নতুন করে তৈরি করছে মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন হোয়াটসঅ্যাপ। বলা হচ্ছে, নতুন শর্তাবলিতে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য মালিক প্রতিষ্ঠান ফেসবুককে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এর ফলে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্য চলে যাবে ফেসবুকের হাতে।
গ্যাজেটস নাওয়ের খবরে বলা হয়েছে, নতুন শর্তাবলির বিষয়ে এখনো মুখ খোলেনি হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। এই অ্যাপ্লিকেশনটি কিনে নিয়েছিল ফেসবুক। এরপর হোয়াটসঅ্যাপের সেবা পাওয়ার শর্তাবলি নতুন করে তৈরির কাজ শুরু হয়। ওই শর্তাবলি অনুযায়ী হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুককে দিতে পারবে। প্রযুক্তি ওয়েবসাইট ওয়েবটেইনফো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।
ওই নতুন শর্তাবলিতে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারী সম্মতি দিলেই ফেসবুক কোম্পানির কাছে তার ব্যক্তিগত তথ্য পাঠানো হবে। শর্তাবলিতে লেখা আছে, ‘হোয়াটসঅ্যাপ ও অন্যান্য ফেসবুক কোম্পানিগুলোর পণ্যের সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুক কোম্পানিগুলোর সঙ্গে শেয়ার করা হবে। যতক্ষণ আপনি প্রয়োজনীয় অনুমতি না দেবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপে আপনি যা শেয়ার করবেন (ফোন নম্বরসহ), সেগুলো ফেসবুক বা ফেসবুকের অন্য কোনো কোম্পানির পণ্যে দেখানো হবে না।’
গ্যাজেটস নাওয়ের খবরে বলা হয়েছে, আরও উন্নত সেবা প্রদানের জন্যই এ পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এই নতুন শর্তাবলির আওতায় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর প্রোফাইলের নাম, মোবাইল নম্বর, ব্যবহৃত ডিভাইসের বিভিন্ন তথ্য, অবস্থান প্রভৃতি তথ্য শেয়ারের অনুমতি চাওয়া হবে।

24/02/2018

নায়ক শাকিবের ১ গোল

শাকিবের ১ গোল

বিনোদন প্রতিবেদক
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৩:২৩
প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশ নেন শাকিব খান
• চিত্রনায়ক শাকিব খান নিজে ১ গোল করেছেন। 

• তুরাগ রিসোর্টে বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।

• এখানে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে শাকিবের দল জিতেছে ৪-১ গোলে।
চিত্রনায়ক শাকিব খান নিজে ১ গোল করেছেন। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর তুরাগ রিসোর্টে বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের বনভোজনে অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে শাকিবের দল জিতেছে ৪-১ গোলে। নির্ধারিত সময়ে এই খেলা ১-১ গোলে ড্র ছিল। পরে টাইব্রেকারে ৪-১ গোলে জয়ী হয় বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব একাদশ। পুরস্কার হিসেবে দলটি পেয়েছে ‘ফিল্ম ক্লাব গোল্ড কাপ’। এই কাপ তৈরিতে খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা। এই প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি একাদশ ও ফিল্ম ক্লাব একাদশ। বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব একাদশের অধিনায়ক ছিলেন শাকিব খান আর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি একাদশের অধিনায়ক মুশফিকুর রহমান গুলজার।
‘ফিল্ম ক্লাব গোল্ড কাপ’ হাতে বিজয়ীরাঅস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ‘সুপার হিরো’ ছবির শুটিং করে সম্প্রতি ঢাকায় ফিরেছেন শাকিব খান। তুরাগ রিসোর্টে তিনি যান বেলা ১১টায়। ৩০ মিনিটের এই ফুটবল ম্যাচ শুরু হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়। শাকিব খান সেখানে ছিলেন সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত।
এদিকে বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের এই বনভোজনে তারকাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সকালের দিকে শাকিব খান, শাবনূর, রুবেল ছাড়া অন্য কোনো তারকাকে তেমন দেখা না গেলেও বিকেলে চেহারাটা একেবারই বদলে যায়। নিরব, ইমন, ওমর সানী, মৌসুমী, বুবলী, নূতন, মিশা সওদাগর থেকে শুরু করে একে একে এসে উপস্থিত হন আসিফ, শিরিন শিলা, অমিত হাসান, আলেকজান্ডার বো, শিরিন শিলাসহ নবীন-প্রবীণ শিল্পী, পরিচালক ও প্রযোজক এবং বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সদস্যরা।

23/02/2018

Momotaj and babu song

https://youtu.be/SNZd4CauqDU

বিদেশি কলে খরচ ৫ গুণ বেশি

বিদেশি কলে খরচ ৫ গুণ বেশি

আশরাফুল ইসলাম, ঢাকা
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৫:১৩ |  
  • বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কলের সর্বনিম্ন টার্মিনেশন মূল্য কার্যকর আছে ১ টাকা ৬০ পয়সা
  • ভারতের কলরেটের তুলনায় বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কলের টার্মিনেশন মূল্য ৫ গুণের বেশি
বিদেশ থেকে আসা আন্তর্জাতিক কলের মূল্য আরেক দফা কমিয়েছে ভারত। দেশটিতে এত দিন আন্তর্জাতিক কলের টার্মিনেশন মূল্য ছিল স্থানীয় মুদ্রায় ৫৩ পয়সা, যা ১ ফেব্রুয়ারি কমে ৩০ পয়সা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কলের সর্বনিম্ন টার্মিনেশন মূল্য কার্যকর আছে ১ টাকা ৬০ পয়সা। অর্থাৎ ভারতের কলরেটের তুলনায় বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কলের টার্মিনেশন মূল্য ৫ গুণের বেশি।



কল টার্মিনেশন রেট হচ্ছে একটি দেশ থেকে আরেকটি দেশে কল করা হলে তা গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছানোর খরচ। যেমন সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে কেউ যদি ফোন করেন, তাহলে তা প্রথমে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক গেটওয়ে অপারেটরের (আইজিডব্লিউ) কাছে আসে। এরপর তা আইসিএক্স (ইন্টার কানেকশন এক্সচেঞ্জ) হয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরের মাধ্যমে গ্রাহকের কাছে যায়। এ জন্য বাংলাদেশের আইজিডব্লিউ সৌদি আরবের সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাছে একটি মূল্য নেয়। এই মূল্যকেই বলা হয় কল টার্মিনেশন রেট। আইজিডব্লিউ অপারেটরের এই আয় আবার সরকার, মোবাইল ফোন অপারেটর ও আইসিএক্সের মধ্যে ভাগাভাগি হয়।



ভারতের টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অব ইন্ডিয়া (টিআরএআই) মূলত বৈধ পথে কলসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনা করেই কলরেট কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। 

টিআরএআইয়ের হিসাবে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ভারতে বৈধ পথে আসা কলের পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৭৪০ কোটি মিনিট, যা ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ছিল ৯ হাজার ২৪০ কোটি মিনিট। যদিও ভারতের আইজিডব্লিউ ও মোবাইল ফোন অপারেটরদের দাবি ছিল, আন্তর্জাতিক কলরেটের দাম ৫৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৩ রুপি নির্ধারণের। কিন্তু উল্টো তা কমিয়ে এখন ৩০ পয়সা করা হয়েছে।



বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক কলের সর্বনিম্ন টার্মিনেশন রেট নির্ধারিত রয়েছে দেড় সেন্ট বা ১ টাকা ২০ পয়সা। যদিও এ মূল্যে কল আসে না। এ ধরনের কল আনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারিত আছে সাড়ে তিন সেন্ট বা ২ টাকা ৮০ পয়সা। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে এই কলরেট নির্ধারণ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। এরপর চার বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আন্তর্জাতিক কলরেটের সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।



এদিকে, যে মূল্যে বিদেশ থেকে দেশে কল আসছে, সেই মূল্যে সরকারসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে আয় ভাগাভাগি করছে না আইজিডব্লিউ অপারেটররা। বিদেশ থেকে আইজিডব্লিউ অপারেটররা কল আনে ১ টাকা ৬০ পয়সায়, অথচ আয় ভাগাভাগি হয় ১ টাকা ২০ পয়সার সর্বনিম্ন দর ধরে। নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশ থেকে আসা প্রতি এক মিনিট কল থেকে যে আয় হয়, তার ৪০ শতাংশ বিটিআরসি, ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ আইসিএক্স, ২২ দশমিক ৫ শতাংশ মোবাইল অপারেটর আর বাকি ২০ শতাংশ আইজিডব্লিউ কোম্পানিগুলো পেয়ে থাকে।



২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক কলরেট যখন ১ টাকা ২০ পয়সা ছিল, তখনো বৈধ পথে আসা দৈনিক কলের সংখ্যা ছিল ১১ কোটি মিনিট। কিন্তু কলের মূল্য বাড়িয়ে দেওয়ার পর থেকেই কমতে শুরু করে কলসংখ্যা। বর্তমানে দৈনিক আন্তর্জাতিক কলসংখ্যা ৬ কোটির নিচে চলে এসেছে। খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, গত তিন বছরে দেশে আন্তর্জাতিক কলসংখ্যা প্রায় অর্ধেক কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ কলরেট বৃদ্ধি। কলরেট কম থাকলে অবৈধ ভিওআইপি কলের সংখ্যা কমে যায়।



বৈধ পথে আন্তর্জাতিক কলসংখ্যা ও সরকারের আয় বাড়াতে গত বছরের এপ্রিলে টিএআরএআইয়ের মতো বিটিআরসিও কয়েকটি প্রস্তাব তৈরি করেছিল। এসব প্রস্তাবের একটি ছিল বিদেশ থেকে কল আনার সর্বোচ্চ মূল্য ২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে কমিয়ে ১ টাকা ২৮ পয়সায় নামিয়ে আনা। আবার যে মূল্যে কল আসবে, সেই অনুপাতেই সরকারসহ অন্য পক্ষের সঙ্গে আয় ভাগাভাগি করা। আইজিডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও এর কোনোটিই এখন পর্যন্ত কার্যকর হয়নি।



জানতে চাইলে টেলিযোগাযোগবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার জ্যেষ্ঠ গবেষক আবু সাইদ খান প্রথম আলোকে বলেন, একটি বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কলরেট কমিয়ে আনার এ সিদ্ধান্ত ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য নৈতিক শক্তি বিটিআরসির নেই, যা টিআরএআইয়ের আছে।

22/02/2018

কলকাতার মুমতাজের ঢাকায় শুটিং

কলকাতার মুমতাজের ঢাকায় শুটিং

বিনোদন প্রতিবেদক
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৪:৩৪ |  
মায়া-দ্য লস্ট মাদার–এর শুটিংয়ে মুমতাজ সরকার ও  দেবাশীষ কায়সার
  • মুমতাজ সরকারের বড় পরিচয় তিনি অভিনেত্রী।
  • কলকাতার বাংলা ছবিতেই বেশি অভিনয় করেন।
  • প্রথম আলোর মুখোমুখি হন অভিনেত্রী মুমতাজ সরকার।
দাদা বিখ্যাত জাদুশিল্পী পিসি সরকার। বাবা পিসি সরকার জুনিয়র। তবে দাদা-বাবার বাইরেও মুমতাজ সরকারের বড় পরিচয় তিনি অভিনেত্রী। কলকাতার বাংলা ছবিতেই বেশি অভিনয় করেন। তবে সীমানা পেরিয়ে গত সোমবার উড়ে এলেন বাংলাদেশে। মঙ্গলবার থেকে শুরু করলেন বাংলাদেশের ছবি ‘মায়া-দ্য লস্ট মাদার’-এর শুটিং। ছবিটি নির্মাণ করছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত পরিচালক মাসুদ পথিক।
গত মঙ্গলবার ছবির শুটিং হয় রাজধানীর শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেট, পাঠক সমাবেশ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদসহ আশপাশের এলাকায়। শুটিংয়ের ফাঁকে প্রথম আলোর মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিনেত্রী মুমতাজ সরকার। বললেন, ‘আমি খুবই সৌভাগ্যবান এমন একটি গল্পের ছবিতে কাজ করতে পারছি। আমাকে যখন পরিচালক গল্পটি শোনালেন, তখনই সানন্দে রাজি হয়েছিলাম। আর আজ (মঙ্গলবার) থেকে শুটিংই শুরু করলাম।’
ঢাকায় কেমন লাগছে-জানতে চাইলে এই অভিনেত্রী এক শব্দে বলেন, ‘দারুণ’। তিনি জানান, এর আগে একবার ঢাকায় এসেছিলেন। সেটাও একটি অনুষ্ঠানের কাজে খুবই অল্প সময়ের জন্য। এবার প্রায় তিন সপ্তাহ থাকবেন। এই সময়ের মধ্যে ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা ঘুরে দেখার ইচ্ছা আছে তাঁর।
পরিচালক জানালেন, টানা ৩৫ দিনে শেষ করবেন যুদ্ধশিশুর গল্প নিয়ে নির্মাণাধীন এই সিনেমাটির শুটিং। তারপর সম্পাদনার কাজ শেষ করে শামিল হবে মুক্তির মিছিলে।
মুমতাজ সরকার ছাড়াও শুটিংয়ে অংশ নেন সৈয়দ হাসান ইমাম, দেবাশীষ কায়সার, লীনা ফেরদৌসীসহ বেশ কয়েকজন।
উল্লেখ্য, মুমতাজ সরকার অভিনীত আলোচিত ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’, ‘শুধু তোমাকে চাই’, ‘কয়েকটি মেয়ের গল্প’, ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস’।

শাকিব-অপুর তালাক কার্যকরের তারিখ

তালাক কার্যকরের তারিখ ১২ মার্চ

বিনোদন প্রতিবেদক
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৫:৩০
শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস
  • শাকিব-অপুর তৃতীয় ও শেষ শুনানি হবে আগামী ১২ মার্চ।
  • তালাক কার্যকরের বিষয়ে সেদিন সবকিছু চূড়ান্ত হবে।
  • ১২ জানুয়ারি ডিনএসিসি প্রথম সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে।
চলচ্চিত্রপাড়ায় জোর আলোচনা, আজ বৃহস্পতিবার থেকে আর স্বামী-স্ত্রী নন চিত্রতারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রথম আলো কথা বলে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অঞ্চল-৩-এর নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘শাকিব-অপুর তৃতীয় ও শেষ শুনানি হবে আগামী ১২ মার্চ। তালাক কার্যকরের বিষয়ে সেদিন সবকিছু চূড়ান্ত হবে।’
গত বছর ২২ নভেম্বর শাকিব খান তাঁর আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলামের মাধ্যমে অপুর কাছে তালাকের নোটিশ পাঠান। একই সঙ্গে তিনি শাকিব খানের পক্ষে ডিনএসিসির মেয়র কার্যালয়, অপু বিশ্বাসের ঢাকার নিকেতনের বাসা এবং বগুড়ার ঠিকানায়ও তালাকের এই নোটিশ পাঠান। হেমায়েত হোসেন জানান, অপু বিশ্বাস গত ১২ ডিসেম্বর এই চিঠি হাতে পান। তালাকের নোটিশের চিঠি হাতে পাওয়ার পর গত ১২ জানুয়ারি ডিনএসিসি প্রথম সালিশি বৈঠকের আয়োজন করে। প্রথম বৈঠকে অপু উপস্থিত থাকলেও শুটিংয়ের ব্যস্ততায় তখন থাকতে পারেননি শাকিব। ১২ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না শাকিব এবং অপু। ওই সময় শাকিব শুটিংয়ে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ায়। তবে দেশে থাকলেও বৈঠকে যাননি অপু।
২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল গোপনে বিয়ে করেন বাংলাদেশি ছবির জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর জন্ম হয় তাঁদের সন্তান আব্রাম খান জয়। শাকিব-অপু দুজনেই সন্তানের জন্মের বিষয়টি গোপন রাখেন। গত বছর ১০ এপ্রিলে একটি টিভি চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠানে এসে বিয়ে ও সন্তানের খবর ফাঁস করেন অপু বিশ্বাস। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিল ছয় মাস বয়সী ছেলে আব্রাম। সেদিন অপু বলেন, ‘আমি শাকিবের স্ত্রী, আমাদের ছেলে আছে।’
বিয়ের খবর জনসমক্ষে আসার পর দুজনের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন অবস্থায় পৌঁছায় যে শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস নিজেদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ করে দেন। শুধু ছেলে আব্রামের কারণে মাঝেমধ্যে দেখা হলেও কথা হয়নি দুজনের।

শুটিংয়ের দৃশ্য Shorting Show

১০ দিন শুটিংয়ের পর ফিরলেন বাবু

বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা
২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৩:৪৬ |  
• এম নাসেরের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে বাবুর। 

• বাবুর অভিনয় দেখে মুগ্ধ নাসের ও রাইমা। 

• সিতারা ছবির নাম-ভূমিকায় রাইমা অভিনয় করেছেন। 

• ছবিতে বাবু সিতারার স্বামী।
‘সিতারা’ ছবির শুটিংয়ে রাইমা সেন ও ফজলুর রহমান বাবু।ভারতের কোচবিহারের মেখলিগঞ্জের পাশে তিস্তা নদীর চর এলাকায় টানা ১০ দিন শুটিং করেছেন ফজলুর রহমান বাবু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভারতের রেকর্ড সৃষ্টিকারী ছবি বাহুবলীর অভিনয়শিল্পী এম নাসের। তিনি বাহুবলীতে ‘বিজ্জলাদেবা’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। বাবুর অভিনয় দেখে মুগ্ধ তিনি। মুগ্ধ আরেক অভিনয়শিল্পী রাইমা সেনও।
শুটিং শেষ হলে গতকাল মঙ্গলবার ফজলুর রহমান বাবু চ্যাংড়াবান্দা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসেন। সে সময় তাঁকে বিদায় জানাতে আসেন ভারতের এই অভিনেতা। লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর প্রথম আলোকে বাবু বলেন, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ভারতের দক্ষিণের এই শক্তিমান অভিনেতা। বিদায় নেওয়ার আগে এখানে সবাই মিলে চা খেয়েছেন।
এম নাসেরবাবু আরও বলেন, এই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে এম নাসেরের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। শুটিং শেষে বাবুর বিদায় উপলক্ষে গত রোববার রাতে এম নাসের এক পার্টির আয়োজন করেন। সেখানে সবার জন্য তিনি নিজেই কয়েকটি পদ রান্না করেছেন। সবাই মিলে অনেক রাত পর্যন্ত আড্ডাও দিয়েছেন। বাবুর অভিনয়ে মুগ্ধ হয়েছেন এই অভিনেতা। ছবির নাম সিতারা। ধ্রুপদি লেখক আবুল বাশারের গল্প ‘ভোরের প্রসূতি’ অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে ছবিটি। পরিচালক আশীষ রায়। বাবু ছাড়াও এম নাসেরের সঙ্গে এবার অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের জাহিদ হাসান ও শাহেদ আলী।
বাবুর অভিনয়ে মুগ্ধ আরেক ভারতীয় অভিনয়শিল্পী রাইমা সেনও। সিতারা ছবির নাম–ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিনি। ছবিতে বাবু সিতারার স্বামী। সীমান্তে চোরাচালানি দলের সদস্য। একসময় স্ত্রীকে মহাজনের কাছে রেখে চলে যান। মহাজনের দ্বারা নানাভাবে নির্যাতিত হন সিতারা। সেখানে মহাজনের চরিত্রে অভিনয় করছেন এম নাসের। আর স্ত্রীর প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান। 

21/02/2018

খনি থেকে সরাসরি

 কোবাল্ট কিনবে অ্যাপল?


আইফোন ব্যাটারির জন্য সরাসরি খনি শ্রমিকদের কাছ থেকে কোবাল্ট কিনবে অ্যাপল। দীর্ঘ মেয়াদী সরবরাহের জন্য এ বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। 

বুধবার বিভিন্ন সূত্রের বরাতে এ খবর প্রকাশ করে ব্লুমবার্গ। পরিচয় প্রকাশ না করা এক সূত্রে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য কয়েক হাজার মেট্রিক টন কোবাল্ট কেনার চুক্তি করতে চাচ্ছে মার্কিন টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটি।
বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে বর্তমানে জোরেসোরেই নেমেছে একাধিক প্রতিষ্ঠান। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিচালিত বৈদ্যুতিক যানের চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় চাহিদা বেড়েছে কোবাল্ট-এরও। আর এ কারণে কোবাল্টের দাম দিন দিন আকাশচুম্বী হচ্ছে বলেই উল্লেখ করা হয়েছে রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে। 
আরেক সূত্রের বরাতে ব্লুমবার্গ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপল কোনো চুক্তি করার দিকে না আগানোর সিদ্ধান্তও নিতে পারে।
এ নিয়ে মন্তব্যের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে অ্যাপলের কাউকে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

ফোর-জির সিমের জন্য গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা

ফোর-জির সিমের জন্য গুনতে হচ্ছে বাড়তি 

Gopalpur Tangail, Dhaka

২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৯:৪৭ |  

  • গ্রামীণফোন সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে ১১০ টাকা করে নিচ্ছে।
  • রবি আজিয়াটা ও বাংলালিংক নিচ্ছে ১০০ টাকা।
  • তিন অপারেটরই বিশেষ গ্রাহকের কাছ থেকে সিম প্রতিস্থাপনের টাকা নিচ্ছে না।
  • বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রতিস্থাপন কর হিসেবে ১০০ টাকা আদায় করা অযৌক্তিক।
চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) টেলিযোগাযোগ সেবার সিম বদলে দিতে গ্রাহকের কাছ থেকে ১০০ থেকে ১১০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে মোবাইল ফোন অপারেটররা। এই অর্থ নিতে অপারেটরদের যুক্তি হলো, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী সিম প্রতিস্থাপন কর হিসেবে এ অর্থ নেওয়া হচ্ছে।
সিম প্রতিস্থাপনের এনবিআর নির্ধারিত ১০০ টাকার পাশাপাশি গ্রাহকের কাছ থেকে বাড়তি ১০ টাকা নিচ্ছে এক অপারেটর। আবার এই অর্থ আদায়ে গ্রাহকভেদে বৈষম্যও করছে তারা। বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত গ্রাহকের কাছ থেকে এ বাবদ কোনো টাকা নেওয়া হচ্ছে না।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, যেসব গ্রাহক ফোর-জি ব্যবহারের জন্য সিম বদলাচ্ছেন তাঁরা ইতিমধ্যেই এ বাবদ সব ধরনের কর দিয়েছেন। এতে সিমের মালিকানাও পরিবর্তন হচ্ছে না। একই ব্যবহারকারী শুধু পুরোনো প্রযুক্তি থেকে উন্নত প্রযুক্তির সেবা নিতে সিমটি বদলাচ্ছেন। এ জন্য প্রতিস্থাপন কর হিসেবে ১০০ টাকা আদায় করা অযৌক্তিক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফোর-জি সিম প্রতিস্থাপন করতে গ্রামীণফোন সাধারণ গ্রাহকের কাছ থেকে ১১০ টাকা করে নিচ্ছে। রবি আজিয়াটা ও বাংলালিংক নিচ্ছে ১০০ টাকা। তবে তিন অপারেটরই তাদের বিশেষ গ্রাহকের কাছ থেকে সিম প্রতিস্থাপনের টাকা নিচ্ছে না। এ ধরনের গ্রাহকের মধ্যে রয়েছেন গ্রামীণফোনের স্টার, রবির ধন্যবাদ ও বাংলালিংকের প্রিয়জন প্যাকেজের গ্রাহকেরা। এসব গ্রাহক মাসে কমপক্ষে ৫০০ টাকা মোবাইলে খরচ করেন। এসব গ্রাহকের পক্ষে অপারেটররাই সিম প্রতিস্থাপন কর সরকারকে দিচ্ছে। অপারেটররা বলছে, যেসব গ্রাহক বেশি খরচ করেন ব্যবসায়িক কৌশলের অংশ হিসেবে তাঁদের একটু বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।
গ্রামীণফোনের হেড অব করপোরেট অ্যাফেয়ার্স মাহমুদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের পক্ষে অপারেটররা গ্রাহকের কাছ থেকে ১০০ টাকা সিম প্রতিস্থাপন কর আদায় করছে। বাড়তি যে ১০ টাকা নেওয়া হচ্ছে এ জন্য গ্রাহকেরা দেড় গিগাবাইট ইন্টারনেট ডেটা বিনা মূল্যে পাচ্ছেন, যার বাজারমূল্য ১৪০ টাকা। এর সঙ্গে আছে গ্রাহকসেবার পরিচালন ব্যয়। সব মিলিয়ে কোনোভাবেই গ্রাহকের কাছ থেকে বেশি অর্থ নেওয়া হচ্ছে না।
টেলিযোগাযোগবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার জ্যেষ্ঠ গবেষক আবু সাইদ খান প্রথম আলোকে বলেন, সিম প্রতিস্থাপনে যেভাবে গ্রাহকের কাছ 

থেকে অর্থ নেওয়া হচ্ছে তাতে একধরনের শ্রেণি-বৈষম্য রয়েছে। যিনি ধনবান তাঁকে পুরস্কৃত করা হচ্ছে, আর যিনি স্বল্পবিত্তের তাঁকে জরিমানা করা হচ্ছে। এ ধরনের নীতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্দিষ্ট গ্রাহককে বিশেষ ছাড় দেওয়ার বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে গ্রাহকের মধ্যে বৈষম্য তৈরির কোনো নীতিই সমর্থনযোগ্য নয়। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আমি বিটিআরসিকে বলব।’ সিম প্রতিস্থাপন করের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, যে কর এনবিআর আরোপ করেছে, তা পুনর্বিবেচনা করতে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
ফোর-জি সেবা চালুর আয়োজন
ফোর-জি সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে গতকাল ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তিন বেসরকারি অপারেটর। ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রবি, চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে গ্রামীণফোন ও খুলনার সিটি ইন হোটেলে অনুষ্ঠান করে বাংলালিংক।
রবির অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সারা দেশের ৬৪টি জেলা শহরে তারা ফোর-জি সেবা চালু করেছে। এ জন্য ১ হাজার ৫০০টি সাইট বা মোবাইল টাওয়ারকে ফোর-জি সেবা দেওয়ার উপযোগী করা হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে আরও ১ হাজার সাইট ফোর-জি নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে। এ জন্য এখন পর্যন্ত ২ হাজার ১১৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে অপারেটরটি। রবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘প্রতিযোগী অন্যদের তুলনায় আমাদের সেবা ভালো হবে, কারণ আমাদের তরঙ্গ বেশি।’
ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামে গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে ফোর-জি সেবা চালু করেছে গ্রামীণফোন। বর্তমানে নগরের দামপাড়া, খুলশী ও নাছিরাবাদ এলাকায় এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে। অবশ্য আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়ার আগেই গত সোমবার বিকেল থেকে চট্টগ্রাম শহরের ওই তিনটি এলাকায় ফোর-জি সেবা চালু হয়। আগামী ছয় মাসের মধ্যে সব জেলা শহরে এই সেবা চালু হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। গ্রামীণফোনের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ শাহেদ, কোম্পানির হেড অব ডিজিটাল সোলায়মান আলম, চট্টগ্রামের সার্কেল প্রধান শাওন আজাদ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
খুলনায় বাংলালিংকের ফোর-জি সেবা উদ্বোধন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা রিতেশ কুমার সিং। অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, বাংলালিংকের আঞ্চলিক পরিচালক এফ এম শাহরিয়ার ওমর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।